কলকাতায় শুরু হচ্ছে স্বামী বিবেকানন্দ আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ২০২৬: উদ্বোধনে বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি

0

স্বাধীন ও আন্তর্জাতিক ধারার চলচ্চিত্রকে উদযাপনের লক্ষ্যে আগামী ৩ সেপ্টেম্বর থেকে শহরে শুরু হতে চলেছে ‘স্বামী বিবেকানন্দ ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল’ (SVIFF) ২০২৬। উৎসব চলবে ১২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই আয়োজন উপলক্ষে ১ সেপ্টেম্বর কলকাতার নন্দন ৪ প্রেক্ষাগৃহে একটি সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে প্রদর্শনীর সূচি ও সামগ্রিক পরিকল্পনা প্রকাশ করা হয়।সাংবাদিক সম্মেলনটি পরিচালনা করেন উৎসবের কর্ণধার পল্লব রায়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অরোরা ফিল্মস কর্পোরেশনের অঞ্জন বসু, বিশিষ্ট ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ফটোগ্রাফার অতনু পাল এবং চলচ্চিত্র গবেষক প্রসেনজিৎ মজুমদার।আগামী ৩ সেপ্টেম্বর অনুরাধা স্টুডিওতে উৎসবের আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে। উদ্বোধনী প্রদর্শনীতে প্রদর্শিত হবে প্রখ্যাত অভিনেত্রী তথা বিধায়ক পাপিয়া অধিকারীর একটি স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র।উৎসবের মূল আকর্ষণ ও বিস্তারআন্তর্জাতিক ও বহুভাষিক সমাহার: ভারত ছাড়াও আমেরিকা, কানাডা, বাংলাদেশসহ একাধিক দেশের ফিচার ফিল্ম, স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি, অ্যানিমেশন ও তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হবে। বাংলা, হিন্দি, ওড়িয়া, মালয়ালম, সাঁওতালি ও তেলুগু ভাষার পাশাপাশি এবার বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রযুক্তির ব্যবহারে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ও তথ্যচিত্র।স্কুল-কলেজে বিশেষ প্রদর্শনী: তরুণ প্রজন্মের কাছে চলচ্চিত্রের নান্দনিকতা পৌঁছে দিতে ঠাকুরপুকুর বিবেকানন্দ কলেজ, মতিঝিল কলেজ, মতিঝিল রবীন্দ্র মহাবিদ্যালয়, গোবরডাঙা ভগিনী নিবেদিতা শিশু একাডেমি, মানবাজার কলেজ এবং ঝাড়খণ্ডের পাটমদা ডিগ্রি কলেজে বিশেষ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রধান প্রদর্শনী কেন্দ্র: আগামী ৭ সেপ্টেম্বর কলকাতার নন্দনে দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন থাকবে। এছাড়া মৌলালী রামকৃষ্ণ সোসাইটি, জেনেক্স ভ্যালি, হাতিবাগান কম্পাস অফিস এবং দমদম অরবিন্দ স্কুল চত্বরে নিয়মিত ছবি প্রদর্শিত হবে।আজীবন সম্মাননা পুরস্কার: সমাপনী দিনে (১২ সেপ্টেম্বর) চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ গুণী ব্যক্তিত্বদের হাতে তুলে দেওয়া হবে মর্যাদাপূর্ণ ‘ধীরেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’ এবং বাংলা সিনেমার ঐতিহ্য স্মরণে ‘হীরালাল সেন লাইফটাইম অ্যাচিভমেন্ট অ্যাওয়ার্ড’।আন্তর্জাতিক স্তরে সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান ও চিন্তাভাবনার বিকাশ ঘটাতে এই উৎসব সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করবে বলে আশাবাদী উদ্যোক্তারা।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here