ডাবল মাস্টার্স চঞ্চল, পেশায় মৃৎশিল্পী
বাবার সরকারি চাকরির স্বপ্ন পূরণ না হলেও মাটির শিল্পেই প্রতিষ্ঠা জলপাইগুড়ির চঞ্চল পালের
জলপাইগুড়ি: আর্থিক অনটন সত্ত্বেও ছেলেকে উচ্চশিক্ষিত করে সরকারি চাকরিতে দেখতে চেয়েছিলেন বাবা, মৃৎশিল্পী নরেন পাল। বাবার স্বপ্ন পূরণে ছোট থেকেই পড়াশোনায় মন দেন চঞ্চল পাল। উচ্চশিক্ষায়ও সাফল্য আসে। অ্যাকাউন্টেন্সি নিয়ে পড়াশোনার পর উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমকম এবং পরে ইংরেজিতে এমএ করেন তিনি।
১৯৯৮ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশ নেন চঞ্চল। লিখিত পরীক্ষায় সাফল্য এলেও একাধিকবার ভাইভায় আটকে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। পরে কিছুদিন বেসরকারি সংস্থা ও চার্টার্ড ফার্মে কাজ করেন।
পরিবারের মৃৎশিল্পের সঙ্গে যুক্ত থাকার সূত্রে ধীরে ধীরে প্রতিমা তৈরির কাজে নিজেকে গড়ে তোলেন চঞ্চল। ২০১৭ সালে বাবা নরেন পালের মৃত্যুর পর এই শিল্পই তাঁর প্রধান পেশা হয়ে ওঠে। বর্তমানে জলপাইগুড়ির ভাটিয়া বিল্ডিং এলাকায় নিজের কারখানায় প্রতিমা তৈরি করেন তিনি। পাশাপাশি পড়ান ছাত্রছাত্রীদেরও।
— কলকাতার সময়
