নারী

0

*নারী*

সভ্যতার প্রথম আলো
যার হাতে জ্বলে উঠেছিল—
সে-ই নারী।

প্রথম গান
যার কণ্ঠে ধ্বনিত হয়েছিল—
সে-ই নারী।

অবহেলা, অপমান, দাসত্ব—
সারা জীবন
সবকিছু নীরবে সহ্য করেছে
সে-ই নারী।

যে ভেঙেছে অন্যায়ের শিকল,
কখনও মাথা নত করেনি—
সে-ই নারী।

যে চিরকাল নিঃশব্দে
নিজের সব স্বপ্ন গিলে ফেলেছে—
সে-ই নারী।

যার নীরবতাকে সমাজ
দুর্বলতা ভেবে নিয়েছে—
সে-ই নারী।

যার পায়ে পরানো ছিল
লজ্জার বেড়ি—
সে-ই নারী।

যে নিজেকে হারিয়ে
অন্যকে গড়ে তুলেছে,
যে নিজের নাম ভুলে
অন্যের পরিচয়ে বেঁচেছে—
সে-ই নারী।

তবু সেই নারীর মধ্যেই
কলিযুগের নারী
আজ বলে ওঠে—
“আমি নারী,
আমি সব পারি।”

আজ যে ভেঙে ফেলেছে
সব বেড়ি,
হাতে তুলে নিয়েছে কলম—
সে-ই নারী।

আজ যে নিজের আলো,
নিজের পথ,
নিজের পরিচয় নিজেই গড়ে তোলে—
সে-ই নারী।

কারণ আজ
নারী মানে আর
অবহেলা, অপমান, লাঞ্ছনা নয়;

নারী মানে
মাথা উঁচু করে বাঁচা
এক অদম্য, সাহসী সত্তা।

নারী মানে—
সহ্য থেকে উঠে আসা শক্তি,
নীরবতা থেকে জন্ম নেওয়া
এক দৃপ্ত কণ্ঠ।

সে-ই তো নারী।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here