21.8 C
Kolkata
Wednesday, March 4, 2026
HomeTRENDINGকাটাপুকুর মাঠে প্রান্তিক শিশুদের রঙিন বসন্ত উৎসব: খুশির জোয়ারে ভাসল ১০ নম্বর...

কাটাপুকুর মাঠে প্রান্তিক শিশুদের রঙিন বসন্ত উৎসব: খুশির জোয়ারে ভাসল ১০ নম্বর ওয়ার্ডের শান্তিময় পরিবেশ

Date:

Related stories

সাউথ ইন্ডিয়ান ব্যাংকে নিয়োগ ২০২৬: আইটি অডিটর ও ভিএপিটি পদে চাকরির সুযোগ

আপনি কি ব্যাংকিং সেক্টরে আইটি স্পেশালিস্ট হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে...

বিজ্ঞানে গবেষণা থেকে সম্পাদনার জাদুকর: ব্যারাকপুরের তরুণ তুর্কি রঙ্গন ঘটকের জয়যাত্রা

ব্যারাকপুর, ২০২৬: বর্তমান প্রজন্মের কাছে যখন মোবাইল স্ক্রিনই একমাত্র...

বইমেলার আড়ালে ‘সম্মাননা’র ফাঁদ? অশোক স্তম্ভ ও ISO চিহ্নের অপব্যবহারে ঘনীভূত রহস্য

বাঙালির প্রাণের উৎসব কলকাতা বইমেলা কি এবার তঞ্চকতার চারণভূমি...

৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় ব্রাত্য বসুর হাতে উন্মোচিত হলো ‘উদার আকাশ’-এর বিশেষ সংখ্যা

বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় প্রকাশিত হলো...

রোয়েভার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি ২০২৬

তামিলনাড়ুর পেরামবালুরে অবস্থিত প্রথিতযশা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রোয়েভার ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ...
spot_imgspot_img

কলকাতা: বসন্তের রঙে শুধু আকাশ-বাতাস নয়, এবার রঙিন হয়ে উঠল একঝাঁক প্রান্তিক শিশুর শৈশব। উত্তর কলকাতার ঐতিহ্যবাহী কাটাপুকুর মাঠে (শান্তি ঘোষ স্ট্রিট চিল্ডেন্স পার্ক) আয়োজিত হয়ে গেল এক বর্ণাঢ্য বসন্ত উৎসব। কলকাতা পুরসভার ১০ নম্বর ওয়ার্ডের এই পার্কে প্রান্তিক শিশুদের অনাবিল আনন্দ দেওয়ার লক্ষ্যেই এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল সামাজিক সংস্থা ‘We Are The Common People’। এই মহতী উদ্যোগে তাদের সহযোগিতায় ছিল ‘Swadeshi Jagaran Manch Kolkata Mahanagar’

রঙিন আবির ও সুরের মূর্ছনা

​বসন্তের সকালে আবিরের রঙে মেতে ওঠে ছোট ছোট শিশুরা। তাদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে ওঠে গোটা পার্ক চত্বর। শিশুদের এই আনন্দে বাড়তি মাত্রা যোগ করতে হাজির ছিল বিভিন্ন ব্যান্ড। তাদের পরিবেশিত লোকসংগীত ও আধুনিক গানের ছন্দে আট থেকে আশি— সকলেই পা মেলান। অনুষ্ঠানটি কেবল উৎসবের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে একটি মিলন উৎসবে পরিণত হয়।

ধারাবাহিকতার পাঁচ বছর

​উল্লেখ্য, গত পাঁচ বছর ধরে কাটাপুকুর মাঠে ধারাবাহিকভাবে এই বসন্ত উৎসবের আয়োজন করে আসছে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলি। এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে এটি এখন বার্ষিক উৎসবের রূপ নিয়েছে। অনুষ্ঠানের শেষে উপস্থিত সকল শিশু ও অতিথিদের মিষ্টিমুখ করানো হয়।

উদ্যোক্তাদের বক্তব্য

​সংস্থার পক্ষে শুভজিৎ দত্তগুপ্ত জানান:

“সমাজের প্রান্তিক শিশুদের মুখে একটু হাসি ফোটানোই আমাদের মূল লক্ষ্য। বিগত পাঁচ বছর ধরে আমরা এই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শিশুদের এই অকৃত্রিম আনন্দই আমাদের সমস্ত পরিশ্রমের সার্থকতা এবং আগামী দিনের কাজের অনুপ্রেরণা।”

উৎসবের এই রঙিন মুহূর্তগুলো কেবল শিশুদের মনেই নয়, স্থানীয় বাসিন্দাদের হৃদয়েও গভীর ছাপ রেখে গিয়েছে। বসন্তের এই মিলন মেলা আবারও প্রমাণ করল যে, আনন্দ ভাগ করে নিলেই তা পূর্ণতা পায়।

Subscribe

- Never miss a story with notifications

- Gain full access to our premium content

- Browse free from up to 5 devices at once

Latest stories

spot_img

1 COMMENT

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here